নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে এবং নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম

Photo of author

By admin

বর্তমান বিশ্বে প্রায় প্রতিটি মানুষেরই তারা নিজ দেশে নাগরিক হওয়া প্রয়োজন। এবং বাংলাদেশের যাদের ছেলে মেয়েদের বয়স ১৮ হয়ে গিয়েছে তাদের অবশ্যই ভোটার হতে হবে। আর ভোটারের কাজ হল একটি দেশের নাগরিকত্ব। যেখানে কিনা সে সেখান থেকে যাব তো সকল সুযোগ সুবিধা দেশ থেকে পেয়ে যাবে। তাই আপনারা যারা নতুন ভাবে ভোটার হতে চাচ্ছেন তাদের কিছু নিয়ম আজকে আমরা জানিয়ে দেবো।

বাংলাদেশের এখন সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় কাজ হল জাতীয় পরিচয় পত্র এন আইডি কার্ড তৈরি করা। কেননা এটি বাংলাদেশের যেকোনো কাজ করতে যাক না কেন সেখানে এই পরিচয় পত্রের প্রয়োজন হয়। একটি দ্বারা যেকোনো কাজে কর্মে স্কুল প্রতিষ্ঠানে সকল ক্ষেত্রেই এই পরিচয় পত্রে প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাই আপনারা যারা নতুন এ ভোটার হতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু টিপস নিচে দিয়ে দিব।

নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে এবং নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম

আপনারা যারা বর্তমান সময়ে নতুন ভোটার হতে কি কি কাগজপত্র লাগে এবং নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি। আমরা আজকে আপনাদেরকে জানিয়ে দিব যে কিভাবে সহজে আপনারা ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে পারবেন। এবং আপনারা সেই ভোটার হতে কি কি ধরনের কাগজপত্র লাগবে সেই সম্পর্কে জানিয়ে দিব।

যদি আপনাদের নতুন ভোটার হওয়ার প্রয়োজন থাকে। তাহলে অবশ্যই আমাদের এই আর্টিকেলটি ফাস্ট টু লাস্ট পড়তে হবে। তবে আপনি জানতে পারবেন যে কিভাবে এবং কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হয় সে সম্পর্কেও জানতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে এখনি নিচে দেওয়া তথ্যগুলো দেখতে থাকুন।

নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে

ইদানিং সময়ে প্রায় অনেক লোকজনই জানে না যে নতুন ভোটার হতে কি কি ধরনের কাগজপত্র বা প্রয়োজনীয় জিনিস লাগে। ওদের জন্য আজকে বলে রাখি যে আপনাকে নতুন ভোটার হতে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন নেই। আপনাকে রাখতে হবে আপনার জন্ম সনদ এবং সনদপত্র পিতা-মাতার আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং নাগরিকত্বের সনদপত্র।

এ সকল জিনিস আপনার কাছে যদি থাকে তাহলে আপনি আপনার ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চেয়ারম্যান বা মেয়রের স্বাক্ষর থাকলে আপনার নতুন ভোটার হতে পারবেন। তাই আপনাকে অবশ্যই নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য বা নতুন ভোটার হতে সকল বিষয়গুলো অবশ্যই মনে রাখতে হবে।

নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম

এখনকার সময় আপনারা যারা ভোটার হতে পারেননি। চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেক দুই বছর পর পর নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটারের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে কালেক্ট করে নাম। তখন যদি আপনার নাম সেখানে দিয়ে দেন তাহলে সেখানকার মাধ্যমে আপনি ভোটার হতে পারবেন। আর যদি সেখানে নাম না দিতে পারেন। তাহলে আপনাকে অবশ্যই উপরে দেয়ার কিছু তথ্য বলেছি সেগুলো অবশ্যই কালেক্ট করে নির্বাচনে অফিসে জমা দিতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি লাগে

আপনাদের যাদের বর্তমানে ১৮ বছর হয়ে গেছে তাদের প্রত্যেকের ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে হবে। এর মধ্যে যদি আপনারা না জানেন যে কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করা লাগে। এবং আপনার ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে তা জানেন না। তাদেরকে অবশ্যই তার প্রয়োজনীয় যাবতীয় সকল তথ্যগুলো নিয়ে তার ইউনিয়ন পরিষদ বা নির্বাচন অফিসে গিয়ে সাবমিট করতে হবে। তারপরে আপনাকে নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ দিবে।

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন?

আমরা আজকে আপনাদেরকে জানিয়ে দিব যে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন। এই যে এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস বা কি কি কাগজ লাগবে তার তথ্য নিজে দিয়ে দিলাম। তা থেকে খুব সহজেই সকল তথ্যগুলো দেখে আপনারা আপনাদের উপজেলা অফিসে সাবমিট করতে পারেন।

  • ডিজিটাল জর্ম্ম সনদের ফটোকপি রাখতে হবে। 
  • পিতা মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি লাগবে। 
  • স্বামীর বা স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্র ফটোকপি লাগবে। 
  • চেয়ারম্যান কর্তৃক নাগরিকত্ব প্রত্যায়ন পত্র লাগবে। 
  • শিক্ষিত হলে শিক্ষাগত সনদপত্র লাগবে। 
  • শিক্ষাগত সনদপত্রের প্রথম শ্রেণীর সরকারি অফিসার ধারা সত্যায়িত ফটোকপি প্রয়োজন হবে। 
  • হাসপাতাল থেকে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে ফটোকপি জমা।
  • বিলের কাগজ, গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল, টেলিফোন বিল, এগুলোর মধ্যে যে কোন একটি জমা দিতে হবে।
  • হোল্ডিং ট্যাক্স এর কাগজের ফটোকপি।
  • মেয়র বা চেয়ারম্যান এর অঙ্গীকারনামা।

ভোটার নিবন্ধন করার জন্য কোথায় যেতে হবে?

ইদানিং সময় আপনারা যারা জানেন না যে বোটানিবন্ধন করার জন্য কোথায় যেতে হবে। তাদের জন্য বলে রাখি সহজ কিছু বিষয়। আপনারা যদি ভোট না হতে পারেন বা নিবন্ধন করতে না পারেন এজন্য প্রতি দুই বছর পর পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্বাচন কমিশন লোকেরা ভোটারের তালিকা তৈরি করে। অথবা আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়েও কাগজপত্র জমা দিয়ে যোগাযোগ করতে পারবেন। আপনারা যদি এ সকল জিনিসগুলো ভালো করে তালিকা করে নিয়ে যান তাহলে আপনিও ভোটার নিবন্ধন করতে পারবেন।

অনলাইনে ভোটার নিবন্ধন নিবন্ধন কিভাবে করে?

বর্তমানে আপনারা যারা অনলাইনে ভোটার নিমন্ত্রণ করতে চাচ্ছেন। তারা চাইলে বিভিন্ন কম্পিউটার দোকানে বা মোবাইলের মাধ্যমেও এ সকল অনলাইনে ভোটা নিবন্ধন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে প্রথমে নির্বাচন কমিশনারের অফিসিয়াল পেইজে দিতে হবে। সেখানে যাওয়ার পর আপনার প্রয়োজনে কাগজপত্র সেখানে সাবমিট করতে হবে। আর সেখানে আপনাকে একটি ফরম দেওয়া হবে সেখানে ফিলাপ করে আপনাকে সাবমিট করে ফেলতে হবে। আরে ভাবি আপনি চাইলে ঘরে বসে অনলাইনে ভোটের নিবন্ধন করতে পারবেন।

নোটঃ- https://services.nidw.gov.bd/ এই সাইট টিতে প্রবেস করুন।

পরিশেষে

তো আমরা আপনাদেরকে কিভাবে সহজে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে হয় তার নিয়ম সম্পর্কে বলে দিয়েছি। আশা করছি আপনারা আমাদের দেওয়া পোষ্টের মাধ্যমে সকল তথ্যগুলো পেয়ে গিয়েছেন। যে কিভাবে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে হয় এবং কি কি কাগজপত্র লাগে। আর যদি আমাদের এই লেখাটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে। কিছু তথ্য পেয়ে থাকেন তাহলে অন্যদেরকেও দেখার সুযোগ করে দিবেন। ধন্যবাদ।